১০ লাখ লোক যাবে মঙ্গলে, মিলবে চাকরি ও বসবাসের সুযোগ!

এখনবাংলা: ২০৫০ সালের মধ্যে ১০ লাখ লোককে গ্রহটিতে পাঠাতে চান এই ধনকুবের প্রযুক্তি উদ্যোক্তা। দক্ষিণ আফ্রিকান প্রকৌশলী ইলন মাস্ক মহাকাশ ভ্রমণ সংস্থা

স্পেসএক্সের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও)। এ ছাড়া ইলেকট্রনিক গাড়ির প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান টেসলা মোটরসেরও সিইও তিনি। ইন্ডিয়া টাইমস জানায়, বছরে ১০০ স্টারশিপ বানানোর পরিকল্পনা

নিয়েছেন মাস্ক। স্টারশিপ হচ্ছে যাত্রীবাহী মহাকাশযান, সায়েন্স ফিকশনপ্রেমীদের কাছে যেটি বহুল পরিচিত। সম্প্রতি মাস্কের এই পরিকল্পনা প্রকাশ করে স্পেসএক্স। এ ছাড়া এই প্রযুক্তি উদ্যোক্তার

কিছু টুইট বার্তাতেও বিষয়টির ইঙ্গিত পাওয়া যায়। এই ১০০ স্টারশিপে চড়ে মাসে এক লাখ লোক উড়ে যাবে মঙ্গলগ্রহে। অভিযানটি কখন শুরু হবে সেটি নিশ্চিত করা যায়নি। প্রতি ২৬ মাস

পরপর পৃথিবী ও মঙ্গলগ্রহের কক্ষপথ সবচেয়ে কাছাকাছি চলে আসে। সেই সময় পৃথিবী থেকে মানুষ নিয়ে মঙ্গলে উড়ে যাব স্টারশিপগুলো। টুইটারে এক ফলোয়ারের প্রশ্নের জবাবে মাস্ক

জানান, ২০৫০ সালের মধ্যে মঙ্গল গ্রহে ১০ লাখ মানুষ পাঠাতে চান তিনি। তার লক্ষ্য প্রতিদিন গড়ে তিনটা ফ্লাইট পরিচালনা করা, বছরে এক হাজার ফ্লাইট মঙ্গলে উড়ে যাবে, প্রতি ফ্লাইটে

১০০ টনের বেশির কার্গো যাবে। ফলে প্রতি বছর এক মেগাটন কার্গো পাঠানো হবে। যদিও তিনি স্বীকার করেন যে, এখনো অনেক কাজ বাকি। তবে ‘এসএন১’ নামের স্টারশিপ প্রোটোটাইপ

রকেটটি স্পেসএক্সের টেক্সাস কারখানায় নির্মাণাধীন রয়েছে। যদিও জ্বালানি উৎপাদন থেকে শুরু করে মঙ্গলে গিয়ে অবস্থান করার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন নিয়েও এগোচ্ছেন মাস্ক। স্পেসএক্সের

সিইও আরও জানান, এই মহাযজ্ঞকে ঘিরে তৈরি হবে অনেক কর্মসংস্থান। এ ছাড়া স্বেচ্ছায় মঙ্গলে যাওয়ার জন্য বিপুলসংখ্যক মানুষও। মহাকাশ ভ্রমণে যারা সচ্ছল নন, তাদের জন্যও সুযোগ

রেখেছেন তিনি। সেসব মানুষকে লোন দেবে স্পেসএক্স। মাস্ক জানান, লাল গ্রহটিতে বসতিকে ঘিরে অনেক কর্মস্থান সৃষ্টি হবে। সেখানে মানুষ কাজ করতে পারবে, চাকরি করার সুযোগ পাবে।

তবে সেটি কীভাবে সম্ভব, কোন ধরনের কর্মসংস্থান গড়ে তোলা হবে, সেসব কিছুই ঠিকঠাক হয়নি এখন। তবে মঙ্গলে পৃথিবীর মানুষের বসতি গড়ার স্বপ্নপূরণে আশাবাদী এই প্রযুক্তিপ্রেমী ধনকুবের।

ফেসবুকে আমরা