সংক্রমণের প্রবল ঝুঁকিতে কমছে জনসমাগম, বৃষ্টিই পারে সবাইকে ঘরমুখী করতে!

এখনবাংলা: কয়েকদিনের তীব্র গরমের পর লক্ষ্মীপুরে স্বস্তির বৃষ্টি হয়েছে। করোনা ভাইরাস সংক্রমণের প্রবল ঝুঁকি থেকে রক্ষায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ প্রশাসন কড়াকড়িতেও কমে এসেছে জনসমাগম । শুক্রবার বিকালে হঠাৎ বৃষ্টিপাতে গড়মের পর নেমে এসেছে

স্বস্তির। বলছের অনেকেই। জানা গেছে, গত কয়েকদিন ধরে লক্ষ্মীপুরের গ্রাম্য হাটগুলোতে মানা হচ্ছে না সামাজিক দূরত্ব। করোনা ভাইরাস সংক্রমণের প্রবল ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও হাটগুলোতে ক্রেতা-বিক্রেতাদের জমজমাট ভিড় দেখা যাচ্ছিল। একইসঙ্গে গ্রামের মানুষের মধ্যে সুরক্ষা

সরঞ্জাম ব্যবহারেও লক্ষ্য করা গেছে অনীহা। এর মধ্যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কড়াকড়ি ও প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালতে অর্থদণ্ডের পর শুক্রবার থেকে কমে এসেছে জনসমাগম। অতি গরম বাসায় কিভাবে থাকবে সে কষ্ট ভয়ে বেড়ালেও শুক্রবার বিকালে লক্ষ্মীপুরে হঠাৎ বৃষ্টিতে অনেকেই

জানিয়েছেন স্বস্তির কথা। অনেকে বলছেন বৃষ্টিই পারে জনগণকে ঘরে রাখতে। জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, দেশব্যাপী করোনা ভাইরাস সংক্রমন প্রতিরোধের অংশ হিসেবে দুজন মানুষের মধ্যে কমপক্ষে এক মিটার দূরত্ব থাকাসহ অপ্রয়োজনে বাসা থেকে বেড় না হওয়া বলা সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে উপজেলার কয়েকস্থনে কাঁচাবাজারগুলোতে মানুষের ভিড় ছিল।

অযথা ঘুরাঘুরি ও গাড়ি চালানোতে সে সাথে রাস্তা ঘাটে দেখা মিলছে অনেকেই। এ জন্য আইন অমান্যকারীদের ২৪ টি মামলা দায়েরসহ মোট ১৯ হাজার ৫৫০ টাকা জরিমানা আদায় করে ভ্রাম্যমাণ আদালত। এর পর কড়াকড়ি দেওয়া হয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। সড়কে টহল চলে সেনা সদস্য,পুলিশ ও র‌্যাব সদস্যদের। এর পর শুক্রবার সকাল থেকে কমে আসে কমছে জনসমাগমের।

এদিকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার শফিকুর রিদেয়ান আরমান শাকিল। তিনি জানান, লক্ষ্মীপুর শহরের দক্ষিণ তেমুহনী এলাকায় অভিযান চালিয়ে সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে রাস্তা ঘাটে অযথা ঘোরাঘুরি ও রাস্তায় গাড়ি বের করায় মোটরসাইকেল, পিকআপ, কার্ভাড ভ্যান, বিভিন্ন যানবাহন চালকদের আটক করে ২৪টি মামলা ও নগদ ১৯,৫৫০ টাকা অর্থদন্ড করা হয়।

এ সময় সকলকে সরকারের নির্দেশনা মেনে ঘরে থাকার জন্য অনুরোধ জানানো হয়। এছাড়া প্রশাসনের পক্ষ জনগণকে সচেতন করতে থেকে লিফলেট বিতরণ, পোস্টার ও প্যানা লাগানো ও মাইকিংসহ ফেইসবুক ও মসজিদে সচেতনতামূলক প্রচার ও বাড়ি বাড়ি গিয়ে খাদ্য সহায়তা পৌছে

দেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি। জেলা সিভিল সার্জন আব্দুল গফফার জানান, বৃহস্পতিবার থেকে ২৪ ঘন্টায় ৯৪ জন বেড়ে হোম কোয়ারেন্টাইনে আছেন ১৬৬৪ জন। এছাড়া এখনো ১৫ বাড়ি লকডাউন করা আছে।

এছাড়া এদের মধ্যে আইনসোলেশনে ও প্রাতিষ্ঠানিক হোম কোয়ারেন্টাইনে দুই জন। আর কোয়ারেন্টাইন শেষ হওয়ায় ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে এ পর্যন্ত ১৩৫৫ জন। শুক্রবার বৃষ্টি হয়েছে। অকের মাঝে গরমে ঘরে থাকার যে অস্বস্তি ছিল তা দূর হয়েছে।

ফেসবুকে আমরা