দিল্লিতে সংঘর্ষে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩৪; জাতিসংঘের ক্ষোভ

এখনবাংলা: দিল্লিতে সংঘর্ষে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩৪ জনে দাঁড়িয়েছে। আহতের সংখ্যা দু’ শতাধিক। এদিকে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে দিল্লি যে ব্যর্থ সে কথা জানিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে জাতিসংঘ।

জাতিসংঘের পক্ষ থেকে বিবৃতিতে বলা হয়েছে, দিল্লিতে এতো মানুষের মৃত্যু দুর্ভাগ্যজনক। দ্রুত পরিস্থিতি

নিয়ন্ত্রণের আহবান জানিয়েছে সংস্থাটি। গতকাল থেকে অশান্তি কিছুটা কমেছে। কিন্তু আতঙ্ক কাটেনি রাজধানীর।

কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের পর থেকে কিছুটা হলেও নিয়ন্ত্রণে এসেছে উত্তর-পূর্ব দিল্লির পরিস্থিতি। এদিকে, দিল্লির সংঘর্ষে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৪-এ ।

পরে অজিত দোভাল দিল্লির উত্তপ্ত এলাকা পরিদর্শন করে জানান, পরিস্থিতি স্বাভাবিক, ভয়ের কোনও কারণ নেই। তবে অজিত দোভালের আশ্বাসেই কি দিল্লিবাসী আতঙ্ক কাটিয়ে স্বাভাবিক জনজীবনের ছন্দে প্রবেশ করতে পারবেন?

দিল্লিতে শান্তি ফিরিয়ে আনতে মঙ্গলবার রাত থেকেই দফায় দফায় এলাকায় চলছে পুলিশের টহল। ১৪৪ ধারা জারি করে রাখা হয়েছে মউজপুর, কারওয়া লনগর, জাফরাবাদের মতো এলাকাগুলিতে। আজ, বৃহস্পতিবারও প্রায় দিনভর চলবে আধাসেনার কড়া প্রহরা।

কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা বিলোপের পর যেভাবে অজিত দোভাল এলাকা পরিদর্শন করেছিলেন বুধবার সেভাবেই ঘুরে দেখেন দিল্লি। তবে বুধবার সন্ধে থেকে ফের উত্তেজনা ছড়ায় ভজনপুরা, মউজপুর, কারওয়াল নগরে। বেশকিছু জায়গায় আগুনও লাগিয়ে দেওয়ার ঘটনা ঘটে।

দিল্লি পরিস্থিতি ঘুরে দেখার সময় স্থানীয় বাসিন্দাদের ক্ষোভের মুখেও পড়েন তিনি। এর মধ্যেই দিল্লিতে যখন ধাপে ধাপে বাড়ছে মৃত্যু মিছিল তখন দিল্লি পুলিশের মুখপাত্র জানান, তেমন অপ্রীতিকর পরিস্থিতি নেই। প্রায় ১০৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

১৮ জনের নামে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। যদিও দিল্লি পুলিশের ভূমিকা নিয়ে বুধবার গোটা দিনই চলে কাটাছেঁড়া। সুপ্রিম কোর্ট থেকে দিল্লি হাইকোর্ট কোথাও ছাড় পায়নি দিল্লি পুলিশ।

দিল্লি পুলিশের পেশাদারিত্বের অভাব রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি কে এম জোসেফ। দিল্লি পুলিশের স্বাধীনভাবে কাজ করার ক্ষমতা আছে কিনা তা নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়।

ফেসবুকে আমরা