করোনাকালীন সময় যেগুলো খাওয়া যাবে না

এখনবাংলা.কম: বিশ্ব কাঁপছে করোনা জ্বরে। বাংলাদেশেও আক্রান্ত হচ্ছে হাজার হাজার মানুষ। আক্রান্ত আর মৃত্যুর মিছিল প্রতিদিনই বাড়ছে। আতঙ্ক আর উদ্বেগে দিন কাটছে বিশ্বের কোটি কোটি মানুষের। বাংলাদেশে করোনার বিস্তার রোধে সরকারি-বেসরকারি, ব্যক্তিগত ও দলীয় পর্যায়ে নেয়া হচ্ছে না উদ্যোগ।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে শুরু থেকে খাবারদাবারের ওপর নানা বিধিনিষেধের কথা বলা হচ্ছে। এটা খেলে সংক্রমণ হবে না, ওটা খাওয়া যাবে না- এসব নিয়ে গণমাধ্যমেও প্রতিবেদন প্রকাশ হচ্ছে হরদম।

কিন্তু এতকিছু না ভেবে সবার আগে সতর্ক থাকতে হবে, থাকতে হবে পরিষ্কার ও যেকোনও কাজ করার পর সঙ্গে সঙ্গে হাত ধুতে হবে। কিন্তু তাই বলে যে করোনা প্রতিরোধে খাবারদাবারের একেবারেই কোনও প্রভাব নেই তা বলা যাবে না।

চলুন পাঠক একনজরে দেখে নিই, করোনা প্রতিরোধে যা খেতে হবে, যা খাওয়া যাবে না। যেকোনও সংক্রমণ ঠেকাতে অ্যান্টি-অক্সিডেন্টসমৃদ্ধ খাবারগুলো বেশি কার্যকরী হয়। যেমন- বিটা ক্যারোটিন : উজ্জ্বল রংয়ের ফল, সবজি। যেমন গাজর, পালংশাক, আম, ডাল।

ভিটামিন এ : গাজর, পালংশাক, মিষ্টি আলু, মিষ্টিকুমড়া, জাম্বুরা, ডিম, কলিজা, দুধজাতীয় খাবার। ভিটামিন ই: কাঠবাদাম, চিনাবাদাম, পেস্তাবাদাম, বাদাম তেল, বিচিজাতীয় ও ভেজিটেবল অয়েল, জলপাইয়ের আচার, সবুজ শাকসবজি। ভিটামিন সি : আমলকী, লেবু, কমলা, সবুজ মরিচ, করলা।

সাধারণত উদ্ভিজ্জ খাবারগুলোই অ্যান্টি-অক্সিডেন্টের সবচেয়ে ভালো উৎস। বিশেষত বেগুনি, নীল, কমলা ও হলুদ রংয়ের শাকসবজি ও ফল এই সময়ে বেশি বেশি খাওয়া প্রয়োজন। এগুলোর মধ্যে- ১. সবজি : করলা, লাল পাতা কপি, বিট, ব্রোকলি, গাজর, টমেটো, মিষ্টি আলু, ক্যাপসিকাম ও ফুলকপি।

২. শাক : যেকোনও শাকসবজিই উপকারী। ৩. ফল : কমলালেবু, পেঁপে, আঙুর, আম, কিউই, আনার, তরমুজ, বেরি, জলপাই, আনারস। ৪. মসলা : আদা, রসুন, হলুদ, দারুচিনি, গোলমরিচ। এছাড়াও শিমের বিচি, মটরশুঁটি, বিচিজাতীয় খাবার, লাল চাল, আটা, বাদাম, দই, গ্রিন টি, লাল চা, সামুদ্রিক মাছ, দুধ, ডিম, মুরগির মাংস বেশি করে খেতে হবে।

মনে রাখতে হবে সব খাবারই অতিরিক্ত তাপে বা দীর্ঘ সময় সেদ্ধ করে খেতে হবে। বিপরীতে নভেল করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে কিছু দ্রব্য আছে যেগুলো খাওয়া এড়িয়ে চলতে হবে। কারণ এসব খাবার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমানোর পাশাপাশি ফুসফুসে সংক্রমনের ঝুঁকি বাড়ায়।

এর মধ্যে কার্বনেটেড ড্রিংকস, বিড়ি, সিগারেট, জর্দা, তামাক, সাদাপাতা, খয়ের, ঠান্ডা খাবার, আইসক্রিম, চিনি কিংবা চিনিযুক্ত খাবার যতদূর সম্ভব না খাওয়াই ভালো।

ফেসবুকে আমরা