ইফতারে স্বাস্থ্যকর চিড়ার স্মুদি

এখনবাংলা.কম: মানুষের কায়িক শ্রমের পরিমাণ কমে গেছে। ফলে স্থুলতার পরিমাণ বেড়ে যাচ্ছে। অতিরিক্ত তেলে ভাজা খাবার, রেড মিট ও ট্যান্স ফ্যাট জাতীয় খাবার স্থুলতা বাড়িয়ে দেয় ও শারিরীক নানা জটিলতা হতে পারে এতে ।

ইফতারে পুষ্টিকর ও খাদ্যের সবকটি উপাদান বর্তমান থাকবে এমন খাবার নির্বাচন করা উচিত। সেদিকে লক্ষ্য রেখে চিড়ার স্মুদি হতে পারে আদর্শ ইফতার আইটেম।। চিড়ার স্মুদি তৈরিতে উপাদান হিসেবে যা যা লাগে- চিড়া,দুধ,খেজুর, কলা,মধু,কিসমিস।

চিড়া শর্করার ভালো উৎস।এছাড়া এ থেকে ক্যালসিয়াম,প্রোটিন, জিংক ও পর্যাপ্ত ফাইবার পাওয়া যায়।ফাইবার কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সাহায্য করে। প্রোটিন দেহ গঠনে সাহায্য করে।ক্যালসিয়াম হাঁড় ও দাঁত গঠনে সাহায্য করে।

জিংক বিভিন্ন ভাইরাসের অনুলিপন প্রক্রিয়ার বাঁধা প্রদানের মাধ্যমে রোগ প্রতিরোধে ভূমিকা রাখে। দুধ প্রোটিনের অন্যতম উৎস এছাড়াও এ থেকে ক্যালসিয়াম,ফ্যাট,জিংক, ভিটামিন-এ,থায়ামিন ও পানি পাওয়া যায়।

খেজুর -প্রোটিন, ক্যালসিয়াম, ফাইবার, ভিটামিন-বি,আয়রন,ম্যাঙ্গানিজ ও সালফার পাওয়া যায়।এটিতে বিদ্যমান এন্টিঅক্সিডেন্ট রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়,যকৃত সংক্রমণে সাহায্য করে, আয়রন রক্তস্বল্পতা দূর করতে সাহায্য করে।

এটি ইন্সট্যান্ট কর্মশক্তি প্রদান করে। কলা-এ থেকে শর্করা,প্রোটিন,ক্যালসিয়াম, জিংক,আয়রন, পটাসিয়াম ও সামান্য ভিটামিন-সি পাওয়া যায়।

এতে বিদ্যামান পটাসিয়াম হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে। এর পাশাপাশি এটি হজম শক্তি বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে থাকে।

মধু-রোগ প্রতিরোধক খাবার হিসেবে পরিচিত।এটি শর্করা, ক্যালসিয়াম,জিংক ও সামান্য ভিটামিন-সি এর উৎস। কিসমিস-শর্করা পাশাপাশি এ থেকে আয়রন, পটাসিয়াম, ক্যালসিয়াম ও ফাইবার পাওয়া যায়।

এতে থাকা আয়রন রক্তস্বল্পতা দূর করতে সাহায্য করে, ক্যালসিয়াম দাঁত ও হার গঠনে সাহায্য করে,ফাইবার কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সাহায্য করে। তাই এই রোজায় আপনার ইফতারের তালিকায় এই পুষ্টিকর খাবারটি অন্তর্ভুক্ত করতে পারেন।

ফেসবুকে আমরা